1. admin@vorerbangla.com : admin_shafi :
ছাতকে সরকারী নিয়ম নীতির তুয়াক্কা না করে বড় অংকের ঘুষ ক্যালেঙ্কারির মাধ্যমে ধান ক্রয় করার অভিযোগ - ভোরের বাংলা
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৮ অপরাহ্ন
তাজা খবর
ছাতকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্ধর্ষ চুরি, ১১টি সিলিং ফ্যান চুরি ছাতকে দিন ব্যাপী নানা অনুষ্ঠানেরমাধ্যদিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন ছাতক উপজেলা প্রেসক্লাবেরআনন্দ ভ্রমণ সম্পন্ন। ছাতকে জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি প্রদান। ছাতকে খেলাফত মজলিসের যৌথ দায়িত্বশীল সভা অনুষ্ঠিত চরমহল্লায় কাইল্যাচর গ্রামে দু’পক্ষে’র সংঘ’র্ষে আহত ১৯ ইসলামী আন্দোলনের এক সাহসী পথিকৃত মরহুম মাওলানা শফিক উদ্দিন রহঃ প্রতাপপুর হযরত শাহজালাল লতিফিয়াইসলামি যুব সংঘের কাউন্সিল সম্পন্ন এমপি মিলনের সাথে ছাতক উপজেলা প্রেসক্লাবের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ছাতকের ইসলামপুর ইউনিয়নে মসজিদে জুতা বদলকরা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৩০ জন আহত।।

ছাতকে সরকারী নিয়ম নীতির তুয়াক্কা না করে বড় অংকের ঘুষ ক্যালেঙ্কারির মাধ্যমে ধান ক্রয় করার অভিযোগ

  • Update Time : রবিবার, ২২ জুন, ২০২৫
  • ১৭১ বার দেখা

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের ছাতকে সরকারী খাদ্যগুদামে ধান সংগ্রহের নামে চলছে অনিয়ম-দূর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের মহোৎসব। সরকারী নিয়ম নীতির তুয়াক্কা না করে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বড় অংকের ঘুষ ক্যালেঙ্কারির মাধ্যমে ধান ক্রয় করার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, খোদ খাদ্যগুদাম এর কর্মকর্তা-কর্মচারিরাও বিভিন্ন মিল মালিকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করে গুদামে বিক্রি করছেন। ফলে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষকরা। আর লাভবান হচ্ছেন অসাধু ব্যবসায়ী ও খাদ্যগুদাম সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারিরা।

ছাতক খাদ্যগুদাম সূত্রে জানা যায়, গেল ২৪ মে থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে এখানে ধান সংগ্রহ শুরু হয়। লক্ষমাত্রা ধরা হয় ৯৪৫ মেট্রিকটন। ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত ধান সংগ্রহের কথা রয়েছে। কিন্তু গেল ১৮জুন পর্যন্ত ৭০০ মেট্রিকটন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে।

জানা গেছে, এবছর স্থানীয় বাজারে প্রতি মন (বড়) ধানের মুল্য ১১৫০ থেকে ১২০০ টাকা। কৃষকদের উৎসাহীত করতে ভর্তূকির মাধ্যমে সরকারী মুল্য ধরা হয়েছে ১৪৪০ টাকা। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনেকেই স্থানীয় বাজার থেকে বড় ধান সংগ্রহ ও কৃষক ভাড়ার মাধ্যমে অনিয়ম-দূর্নীতি করে যাচ্ছেন। সুযোগটি হাত ছাড়া না করে গুদাম সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও বিশ্বস্থ লোক দিয়ে বিভিন্ন মিল থেকে সরকারী বস্তায় ধান বস্তাজাত করে গাড়ি যোগে সরাসরি গুদামে বিক্রি করছেন। বিভিন্ন অযুহাতে ব্যবসায়ীরা প্রতিটন ধান ৪ হাজার টাকা হারে ঘুষ দিতে হচ্ছে খাদ্যগুদাম এর কর্মকর্তাকে। অন্যান্য বছর লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা হলেও এ বছর পকেট ভারি করার জন্য লটারি হয়নি। বিভিন্ন কৃষকদের সাথে আলাপ করে এসব তথ্য জানা গেলেও তারা নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক। তবে বিভিন্ন কৌশলে মোবাইল ফোনে ও গোপন ক্যামেরায় ধারনকৃত অডিও- ভিডিওতে উঠে এসেছে অনিয়ম-দূর্নীতির তথ্য। যা সংরক্ষিত আছে এই প্রতিবেদকের কাছে। কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহের কথা থাকলেও অধিকাংশ ধান ক্রয় করা হচ্ছে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ও মিল ব্যবসায়ীর কাছ থেকে। কৃষক ভাড়া করে আর ঘুষের বিনিময়ে অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে ধান।

কৃষকদের তথ্য অনুযায়ী এ বছর প্রায় ৩০০ টন ধান গুদামে বিক্রি করেছেন আনোয়ার হোসেন নামের এক ব্যবসায়ী ও আওয়ামীলীগ নেতা। পিএস ইয়াকুব, গুদাম কর্মচারি আবুল কাশেম ও লেভার সর্দার আবদুল করিমের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ধান বিক্রি করেছেন খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা নিজেই। তিনি উপজেলার সাদারাই গ্রামের ছুরুক মিয়া ও আলমপুর (ভাওয়াল) গ্রামের আবু তাহেরসহ বিশ্বস্থ লোক দিয়ে এসব ধান ক্রয় করে তার গুদামে নিজেই বিক্রি করে আসছেন। ধান বিক্রি করেছেন বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী সমছুদ্দিন, চেচানের ব্যবসায়ী আনোয়ার, জাউয়ার মিল ব্যবসায়ী ও আওয়ামীলীগ নেতা পিলিপ বাবু, বুড়াইরগাঁও এর আনোয়ারা অটো রাইছ মিল এর জনৈক ব্যবসায়ী সহ আরও একাধিক ব্যবসায়ীরা।

তারা জেলার ভাটি অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে নিন্ম মানের ধান ক্রয় করে খাদ্যগুদামে ঘুষের বিনিময়ে বিক্রি করে আসছেন। আর ব্যবসায়ীরা গ্রাম থেকে সহজ স্মরল মনোনীত কৃষক ভাড়ায় এনে খাদ্যগুদামের স্লিপ ধরিয়ে দিয়ে স্থানীয় ব্যাংক থেকে ধান বিক্রির টাকা উত্তোলন করছেন। এসব দেখার যেন কেউ নেই। এ থেকে শুধু খাদ্যগুদামের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা প্রায় অর্থ কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। অসাধু ব্যবসায়ীরা তো আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ!

কৃষি বাতায়ন তথ্য মতে এ উপজেলায় ৮ হাজার ২৫জন কৃষক রয়েছেন। এর মধ্যে প্রকৃত পক্ষে হাতেগুনা কয়েকজন কৃষক ঘুষ দিয়ে ধান বিক্রি করলেও অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা কৃষক ভাড়ায় এনে গুদাম কর্তৃপক্ষকে ঘুষ দিয়ে তাদের নাম ব্যবহার করে ধান গুদামজাত করছেন। এতে বিএনপি-আ’লীগ, ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট, খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা-কর্মচারি মিলেমিশে একাকার।

অভিযোগ উঠেছে, তদারকি না থাকায় খাদ্য গুদাম কর্মকর্তার নিজস্ব লোক ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ের পর গুদামে বিক্রি করে ঘুষের রাম-রাজত্র কায়েম করছেন। ক্যালকোলেটর হিসেব বলছে, ইতিমধ্যে সংগ্রহকৃত ৭০০ মেট্টিকটন ধানে ৪ হাজার করে ঘুষ নিলে তাদের বাণিজ্য হয়েছে ২৮ লাখ টাকা। আর লক্ষমাত্রা অনুযায়ী ৯৪৫ মেট্টিকটন সংগ্রহের পর শুধু ঘুষ বাণিজ্য দাড়াবে ৩৭ লাখ ৮০ হাজার টাকায়। নিজস্ব লোক দিয়ে ধান ক্রয় করে গুদামজাত করলে প্রতি মন ধানে লাভ আসছে ৩০০ টাকা৷ এতেও কয়েক লক্ষ টাকা বাণিজ্য করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারিরা। সব মিলিয়ে এ বছর প্রায় অর্ধকোটি টাকা ঘুষ বাণিজ্য করেও কিভাবে ধরা ছোঁয়ার বাহিরে রয়েছেন এসব কর্মকর্তা-কর্মচারিরা, এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে জনমনে।

এদিকে, খাদ্যগুদামে অনিয়ম-দূর্নীতির ঘ্রান পেয়ে নোয়াখালী জেলার বাসিন্দা, সুরমা নদীর দোয়ারাবাজারের ফেরি চালকের ছেলে, ভুঁইফোড় সাংবাদিক সাজ্জাদ মনির ওরফে ইয়াবা মনির ও দোয়ারাবাজার এলাকার সাংবাদিক আবু বক্কর খাদ্যগুদাম কর্মকর্তার কাছে মাসিক ২৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করেছে। গোপন ক্যামেরায় ধারনকৃত খাদ্যগুদাম কর্মকর্তার বক্তব্যে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

ছাতক খাদ্যগুদাম (এলএসডি) কর্মকর্তা সুলতানা পারভীন চাঁদা দাবীর বিষয় প্রচার না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা ও টন প্রতি ৪হাজার টাকা নেওয়ার বিষয়টি সত্য না। তিনি বলেন, ২০১২ সালের কৃষি অফিস থেকে দেওয়া তালিকার ভিত্তিতে প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা হচ্ছে। তবে কিছু ব্যক্তি দলের পরিচয় দিয়ে ধান ক্রয়ের জন্য তাকে চাপ দিচ্ছেন। এছাড়া ব্যবসায়ীরা ধান বিক্রির জন্য আসছেন, কিন্তু তাদের ধান ক্রয় করছেন না। কৃষি কার্ড ও এনআইডি দেখে কৃষকদের কাছ থেকে নির্ধারিত হারে ধান ক্রয় করে তিনি গুদামজাত করছেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা তৌফিক হোসেন খান এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, খাদ্যগুদামে প্রতি বছর কৃষকদের তালিকা দিলেও তারা পাইকারদের (ব্যবসায়ীর) কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করে থাকে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, এখানে তারা কিভাবে ধান সংগ্রহ করছেন তা অবগত করেন নি। খোঁজখবর নিয়ে বিধি মোতাবেক তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আব্দুল কাদিরকে ইসলামী আন্দোলনের পূর্ণ সমর্থনভোরের বাংলা ডেক্সসুনামগঞ্জ–৫ (ছাতক–দোয়ারাবাজার) আসনে খেলাফত মজলিস মনোনীত দেয়াল ঘড়ি প্রতীক–এর সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হাফিজ মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল কাদিরকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করা হয়েছে।গত ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ছাতক–দোয়ারাবাজার শাখার উদ্যোগে এক প্রাণবন্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাটি দোয়ারাবাজার উপজেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে খেলাফত মজলিস ছাতক–দোয়ারাবাজারের নেতৃবৃন্দ এবং সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হাফিজ মাওলানা আব্দুল কাদিরের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।মতবিনিময় সভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে হাফিজ মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল কাদিরের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করেন এবং আসন্ন নির্বাচনে দেয়াল ঘড়ি প্রতীককে বিজয়ী করতে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।সভায় বক্তারা বলেন, ইসলামী মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার, সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও খেলাফত মজলিস একযোগে কাজ করবে। তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই আসনে দেয়াল ঘড়ি প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত হবে, ইনশাআল্লাহ।এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ছাতক উপজেলা সভাপতি মাওলানা ফরিদ উদ্দিন, দোয়ারাবাজার উপজেলা সভাপতি মাওলানা মনির হোসাইন, সহ-সভাপতি হাফিজ মাওলানা আক্তার হোসাইন, খেলাফত মজলিস দোয়ারাবাজার উপজেলা সভাপতি মাওলানা মঈনুল হক, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা জাকির হোসেন সাঈদসহ ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিসের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।সভা শেষে নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং জনগণের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আব্দুল কাদিরকে ইসলামী আন্দোলনের পূর্ণ সমর্থনভোরের বাংলা ডেক্সসুনামগঞ্জ–৫ (ছাতক–দোয়ারাবাজার) আসনে খেলাফত মজলিস মনোনীত দেয়াল ঘড়ি প্রতীক–এর সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হাফিজ মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল কাদিরকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করা হয়েছে।গত ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ছাতক–দোয়ারাবাজার শাখার উদ্যোগে এক প্রাণবন্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাটি দোয়ারাবাজার উপজেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে খেলাফত মজলিস ছাতক–দোয়ারাবাজারের নেতৃবৃন্দ এবং সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হাফিজ মাওলানা আব্দুল কাদিরের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।মতবিনিময় সভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে হাফিজ মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল কাদিরের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করেন এবং আসন্ন নির্বাচনে দেয়াল ঘড়ি প্রতীককে বিজয়ী করতে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।সভায় বক্তারা বলেন, ইসলামী মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার, সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও খেলাফত মজলিস একযোগে কাজ করবে। তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই আসনে দেয়াল ঘড়ি প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত হবে, ইনশাআল্লাহ।এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ছাতক উপজেলা সভাপতি মাওলানা ফরিদ উদ্দিন, দোয়ারাবাজার উপজেলা সভাপতি মাওলানা মনির হোসাইন, সহ-সভাপতি হাফিজ মাওলানা আক্তার হোসাইন, খেলাফত মজলিস দোয়ারাবাজার উপজেলা সভাপতি মাওলানা মঈনুল হক, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা জাকির হোসেন সাঈদসহ ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিসের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।সভা শেষে নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং জনগণের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আব্দুল কাদিরকে ইসলামী আন্দোলনের পূর্ণ সমর্থনভোরের বাংলা ডেক্সসুনামগঞ্জ–৫ (ছাতক–দোয়ারাবাজার) আসনে খেলাফত মজলিস মনোনীত দেয়াল ঘড়ি প্রতীক–এর সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হাফিজ মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল কাদিরকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করা হয়েছে।গত ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ছাতক–দোয়ারাবাজার শাখার উদ্যোগে এক প্রাণবন্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাটি দোয়ারাবাজার উপজেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে খেলাফত মজলিস ছাতক–দোয়ারাবাজারের নেতৃবৃন্দ এবং সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হাফিজ মাওলানা আব্দুল কাদিরের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।মতবিনিময় সভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে হাফিজ মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল কাদিরের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করেন এবং আসন্ন নির্বাচনে দেয়াল ঘড়ি প্রতীককে বিজয়ী করতে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।সভায় বক্তারা বলেন, ইসলামী মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার, সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও খেলাফত মজলিস একযোগে কাজ করবে। তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই আসনে দেয়াল ঘড়ি প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত হবে, ইনশাআল্লাহ।এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ছাতক উপজেলা সভাপতি মাওলানা ফরিদ উদ্দিন, দোয়ারাবাজার উপজেলা সভাপতি মাওলানা মনির হোসাইন, সহ-সভাপতি হাফিজ মাওলানা আক্তার হোসাইন, খেলাফত মজলিস দোয়ারাবাজার উপজেলা সভাপতি মাওলানা মঈনুল হক, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা জাকির হোসেন সাঈদসহ ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিসের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।সভা শেষে নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং জনগণের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

বিজ্ঞাপন

কম দামে প্রিমিয়াম কোয়ালিটির নিউজ পোর্টাল তৈরি করুন
কম দামে প্রিমিয়াম কোয়ালিটির নিউজ পোর্টাল তৈরি করুন

দিনপঞ্জিকা

April ২০২৬
Sat Sun Mon Tue Wed Thu Fri
« Mar    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০