ভোরের বাংলা ডেক্স
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের গণেশপুর মাদরাসা বাজারে ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুফি আলম সোহেলের বক্তব্য বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের প্রতিবাদে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গণেশপুর মাদরাসা বাজারে সাবেক ইউপি সদস্য হাজী নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং স্টুডেন্ট ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হাজী মোশাররফ হোসেনের সঞ্চালনায় এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দেন ছাতক পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী আবুল হাসান, বিশিষ্ট চুনাপাথর আমদানিকারক ও মৌলভীরগাঁও জামে মসজিদের মুতাওয়াল্লি হাজী নবী হোসেন, ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সাজ্জাদুর রহমান, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য বাহার উদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী জয়নাল আবেদীন, হাজী জামিল আহমদ, দক্ষিণ গণেশপুর ছড়ারপার ইসলামী সমাজকল্যাণ পরিষদের সভাপতি ছালাতুল ইসলাম ছালাত, উত্তর সুরমা ইসলামী সোসাইটির সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার ইব্রাহিম সাদেক, ভিশন ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সেক্রেটারি মুহাম্মদ নাজমুল হাসান জুয়েল, সমাজকর্মী জহুরুল জাফর, শিল্পী রায়হান রাজুসহ অনেকে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট মুরব্বি হাজী কফিল উদ্দিন, হাজী দুদু মিয়া, বড়জুম কবরস্থান পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি আব্দুল আজিজ, নোয়াগাঁও শাহী ঈদগাহ উন্নয়ন কমিটির সভাপতি হাজী আরিছ উদ্দিন, ইসলামপুর ইউপির সাবেক সদস্য ও আনসার-ভিডিপির সাবেক কমান্ডার নূরুল ইসলাম, সাবেক কমান্ডার আবুল কালাম, সাবেক সেনা কর্মকর্তা আব্দুল কাদির, হাজী সামছুর রহমান ছাদিক, হাজী শুকুর উদ্দিন, ব্যবসায়ী হাজী লিলু মিয়া, হাজী আতিক মিয়া, ফজলুর রহমান, ইসমাইল হোসেন, ফরিদ আহমদ, মাসুক মিয়া, ছালিক মিয়া মেম্বার, সিরাজ মিয়া মেম্বার, ব্যবসায়ী মোক্তার হোসেন, হাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, সমাজসেবী আব্দুল মোহাইমিন, রোকন উদ্দিন, আবু তাহেরসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলার চেলা ও ইছামতী নদীতে চুনাপাথর আমদানি ব্যবসা এবং ইসলামপুরের সোনাই নদীতে নতুন রুট চালু ও শুল্ক স্টেশন স্থাপনসংক্রান্ত বিষয়ে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, সিলেটের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুফি আলম সোহেল জনস্বার্থ ও অধিকাংশ ব্যবসায়ীর স্বার্থের কথা তুলে ধরে বক্তব্য দেন।
বক্তারা অভিযোগ করেন, ওই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সোনাই নদীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তি ও তাদের সহযোগীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক, অশালীন ও ব্যঙ্গাত্মক ভাষায় বিভিন্ন মন্তব্য, হুমকি এবং এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে ছবি বিকৃত করে প্রচার করেছেন। এতে এলাকায় বিভ্রান্তি ও উত্তেজনা সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বক্তারা এ ধরনের প্রচারণার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং কোনো বক্তব্য বা ছবি বিকৃত করে প্রচার না করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তারা।
Leave a Reply